ফতিমা সানা শেখ,ছবি: Instagram

‘অসহ্য লাগে ভীতু চরিত্র...’, মেয়েদের উপর অত্যাচার নিয়ে কী বললেন ফতিমা?

‘দঙ্গল’ ছবিতে কুস্তিগীর গীতা ফোগাটের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছিলেন ফতিমা সানা শেখ। বর্তমানে ‘হুঙ্কার’ ছবিতে তাঁর অভিনয়ের জন্য আলোচনায় অভিনেত্রী। ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পরে ফতিমা সবসময়ই পর্দায় শক্তিশালী নারী চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলেছেন। সেটা ‘থাগস অফ হিন্দুস্তান’-এর যোদ্ধা রাজকুমারী জাফিরা, ‘মডার্ন লাভ মুম্বই’-এর লালজারি, ‘ধক ধক’-এর বাইকার স্কাই, কিংবা ‘স্যাম বাহাদুর’-এর লৌহমানবী ইন্দিরা গান্ধী হোক, যে চরিত্রেই তিনি অভিনয় করেছেন মন ছুঁয়েছেন সকলের।

খোলা চুলে হাসিমুখে ক্যামেরায় পোজ় দিয়েছেন ফতিমা সানা শেখ

তাঁর নতুন ওয়েব সিরিজ় ‘হুঙ্কার: দ্য রোয়ার’-এ ৩৪ বছর বয়সি ফতিমা এসিপি জসলিনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি সমস্ত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে সত্যের পক্ষে দাঁড়ান। তবে তিনি ভীতু চরিত্রের মেয়েদের একেবারেই পছন্দ করেন না বলে জানিয়েছেন।

শিশুশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ফতিমা। তিনি ১৯৯৭ সালে কমল হাসানের সঙ্গে ‘চাচা ৪২০’ এবং শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ওয়ান টু কা ৪’-এ অভিনয় করেন। পর্দায় তার অভিনীত চরিত্রগুলো নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফতিমা বলেন, ‘আমি সবসময়ই শক্তিশালী চরিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হই। আমি ভীতু চরিত্র একেবারেই পছন্দ করি না। তবে আমি ভাগ্যবান যে আমি ভালো চরিত্র পেয়েছি। ‘হুঙ্কার’-এ আমি প্রথমবার একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছি।’

খোলা চুলে হাসিমুখে ক্যামেরায় পোজ় দিয়েছেন ফতিমা সানা শেখ

সমাজের বহু কুপ্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে চেয়েও কখনও কখনও পিছিয়ে আসতে হয়েছে তাঁকে। তবু কিছু বিষয়ে আওয়াজ তুলতে চান তিনি। বললেন, ‘এই সমাজে কিছু ঘটনা খুবই সাধারণ। আগেও ঘটত, আজও ঘটছে। এগুলো অবশ্যই একজন মানুষকে বিচলিত করে। তাই, যখন আপনি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান, যেখানে আপনি সত্যের পক্ষে দাঁড়ান এবং সত্যের জন্য লড়াই করেন, তখন এর অর্থ সঠিক জিনিসের প্রতিনিধিত্ব করা।’

খোলা চুলে হাসিমুখে ক্যামেরায় পোজ় দিয়েছেন ফতিমা সানা শেখ

নারীবাদ শব্দের অর্থ অনেকেই বোঝে না বলে মত ফতিমার। তিনি বলেন, ‘নারীবাদ-এর আসল অর্থ অনেকেই বোঝে না। মানুষ যদি এটা একটু বোঝার চেষ্টা করে, তা হলে তারা আপনাআপনিই একে সমর্থন করতে শুরু করবে। বাস্তবে, এটা মানুষেরও দোষ নয়। কারণ, আপনি যদি নারীবাদ-এর সমালোচনা করেন, তবে তারা সাপোর্ট পায়। নারীবাদ মূলত সমান অধিকারের দাবি। এর মানে এই নয় যে আমি আপনার জায়গা নিতে চাই। নারী ও পুরুষ আলাদা। আমাদের শক্তি আলাদা, আমাদের দুর্বলতাও আলাদা।’