ভারতকে ৬ উইকেটে হারাল ভারত।,ছবি: BCCI

শাই হোপের ঝোড়ো শতরানে উড়ে গেল ভারত, রেকর্ড ২৪৯ রান করেও উইন্ডিজ়ের কাছে হারতে হলো ৬ উইকেটে

ব্যাট হাতে রেকর্ড গড়ে নিন্দুকদের জবাব দিলেন সঞ্জু স্যামসন। অন্য ব্যাটাররাও দেখালেন দাপট, ভারতের স্কোরবোর্ডে উঠল ২৪৯ রান। তার পরেও জয় এল না। রাঁচিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ়ে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। শাই হোপের বিধ্বংসী শতরান এবং শেরফেন রাদারফোর্ডের ঝোড়ো ইনিংসের সামনে কার্যত অসহায় আত্মসমর্পণ করল ভারতের বোলিং বিভাগ। মায়াঙ্ক যাদব তিন উইকেট নিয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও, ভারতীয় বোলাররা এ দিন অকাতরে রান বিলোলেন। স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাটারদের দাপটে বিশাল রান তুলেও এই হার ভারতের বোলিংয়ের দুর্বলতা এবং দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।সঞ্জুর ব্যাটে রেকর্ড, বড় রান ভারতেরপ্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেই দুরন্ত ইনিংসে সমালোচকদের জবাব দিলেন ভারতীয় উইকেটকিপার-ব্যাটার। মাত্র ৪১ বলে ৮২ রান করেন তিনি। ইনিংসে ছিল ন'টি চার ও চারটি ছয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন সঞ্জু। মাত্র ২১ বলে অর্ধশতরান করে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম অর্ধশতরানের নজিরেও বিরাট কোহলির পাশে বসেন তিনি।সঞ্জুর পাশাপাশি ভারতের বড় স্কোর গড়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল অন্য ব্যাটারদেরও। ঈশান কিষান (Ishan Kishan) ২২ বলে ৪৩ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দু'টি ছয়। তিন নম্বরে নেমে শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer) ১৮ বলে ৪০ রান করে ইনিংসের গতি ধরে রাখেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে পাঁচটি চার ও দু'টি ছয়। শেষ দিকে তিলক বর্মা (Tilak Varma) আরও আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৪৪ রান করেন তিনি। ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও চারটি ছয়। অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma) ১২ বলে ২০ রান করে শুরুটা ভালো করেন। শিবম দুবে (Shivam Dube) ১০ বলে সাত রান করে আউট হন। অন্য দিকে, নমন ধীর (Naman Dhir) এক বলে চার রান করে অপরাজিত থাকেন।
৯ অক্টোবর, ২০২৬