Advertisement

তাসকিনের ৪ উইকেট, লিটনের ফিফটি, সিলেটে সহজ জয় বাংলাদেশের

চ্যানেল আই

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

সিলেটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। দাপুটে বোলিংয়ে ডাচদের চেপে ধরেন তাসকিন আহমেদ। লিটন দাসের ফিফটি ও সাইফ হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৮ উইকেটে জয় পেয়েছে টিম টাইগার্স। জয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল লাল-সবুজের দল।

শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৩৬ রানের সংগ্রহ গড়ে নেদারল্যান্ডস। জবাবে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৯ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে বাংলাদেশ।

রানতাড়ায় বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ তামিম। ২.৪ ওভারে ইমন ফিরে যান দলীয় ২৬ রানে। ৯ বলে ১৫ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে লিটন দাস ও তানজিদ তামিম ৩৯ বলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন। ৯.১ ওভারে তানজিদ ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ২৪ বলে ২৯ রান করেন।

সাইফ হাসানকে সঙ্গীয় করে ক্যারিয়ারের ১৩তম টি-টুয়েন্টি ফিফটি পূর্ণ করেনন লিটন দাস। টাইগার অধিনায়কের ২৬ বলে ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কার মার।

পরে দুজনের অপ্রতিরোধ্য ২৬ বলে ৪৬ রানের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বাংলাদেশ। ৬টি চার ও ২ ছক্কায় ২৯ বলে ৫৪ রানে লিটন এবং এক চার ও ৩ ছক্কায় ১৯ বলে ৩৬ রান করেন সাইফ হাসান। দুবছর পর দলে সুযোগ পাওয়া সাইফ বল হাতেও নেন ২ উইকেট।

সফরকারীদের হয়ে আরিয়ান দত্ত ও টিম প্রিঙ্গেল একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ হয়নি নেদারল্যান্ডসের। তবে ৩.১ ওভারে দলীয় ২৫ রানে আঘাত হানেন তাসকিন। ১৫ বলে ২৩ রান করা ম্যাক্স ও’ডাউডকে ফেরান। সপ্তম ওভারে ৩৮ রানে দ্বিতীয় শিকারও আসে তাসকিনের হাত ধরে। ফেরান ১১ বলে ৪ রান করা বিক্রমজিৎ সিংকে।

দশম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন দুই বছর পর দলে ফেরা সাইফ হাসান। ১২ রান করা স্কট এডওয়ার্ডসের পর ফেরান ২৬ রান করা তেজা নিদামানুরুকে। ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারী দলটি।

বাংলাদেশের পরিকল্পিত বোলিংয়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ১২.৫ ওভারে ৮৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় তারা। শারিজ আহমেদ ১৪ বলে ১৫ রান করে মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন। ১৫.৪ ওভারে দলীয় ১০০ রানে কাইল ক্লেইনকে ফেরান তাসকিন। ১২ বলে ৯ রান করেন। ১৭.৩ ওভারে নোয়া ক্রসকে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ শিকার তুলে নেন তাসকিন। ক্রস ১৩ বলে ১১ রান করেন।

শেষদিকে আরিয়ান দত্ত ও টিম প্রিঙ্গেল ১৫ বলে ২৭ রানের জুটিতে ভর করে ১৩৬ পুঁজি করে নেদারল্যান্ডস। ইনিংসের শেষ বলে প্রিঙ্গেল ১৪ বলে ১৬ করে রানআউট হন এবং আরিয়ান ৮ বলে ১৩ করে অপাজিত থাকেন।

তাসকিনের ক্যরিয়ারের অন্যতম সেরা বোলিং ফিগার এটি। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট তিনি। সাইফ হাসান ২ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট। ৪ ওভারে ১৯ রান থরচায় মোস্তাফিজ নেন ১ উইকেট।

Lading . . .