Advertisement

পিআর ছাড়া নির্বাচন হলে দেশে বিপর্যয় সৃষ্টি হবে : ড. হেলাল উদ্দিন

ঢাকা পোস্ট

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

24obnd

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে পিআর পদ্ধতি ছাড়া নির্দিষ্ট একটি দলকে প্রাধান্য দিয়ে যদি নির্বাচন পরিচালনা করে তাহলে দেশে বিপর্যায় সৃষ্টি হবে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর একটি অডিটোরিয়ামে ভয়েস অব সিভিল রাইটস ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘সংস্কার, বিচার, নির্বাচন ও মানবাধিকার’ শীর্ষক আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে জনমনে সংশয় তৈরি হচ্ছে। এই সংশয় দূর করতে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি দলের ভাষায় কথা বলছেন এবং সাংবিধানিক সংকটের দোহাই দিচ্ছে। এখন জুলাই যোদ্ধাদের খাটো করে কথা বলা হচ্ছে। তাদের ওপর প্রশাসন কর্তৃক হামলা করা হচ্ছে। যে কারণে মানুষ আজ বিরক্তি হয়ে গেছে সরকারের ওপর।

হেলাল উদ্দিন বলেন, মনে রাখবেন যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাংবিধানিক সংকটে ভয় দেখাচ্ছে, তারা ক্ষমতায় গেলে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অসাংবিধান সরকার হিসেবে অবৈধ ঘোষণা করবে। এর ফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক যাবতীয় সংস্কার প্রস্তাব অনায়াসে বাতিল হয়ে যাবে। তখন জুলাই চেতনার অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই সুযোগে ক্ষমতাসীনরা নতুন রূপে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করবে। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার প্রয়োজনে এবং নতুন বাংলাদেশ গড়তে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে দিতে না পারলে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করতে হবে। সরকার ফ্যাসিবাদের উত্থানে সহযোগিতা না হয়ে অনতিবিলম্বে ‘পিআর পদ্ধতি এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’ দিতে গণভোটের আয়োজন করতেই হবে। নতুবা জনগণ রাজপথে নেমে এলে এর সব দায় সরকারকে বহন করতে হবে।

বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও পল্টন থানা জামায়াতের আমির শাহীন আহমেদ, জুলাই বিপবের অগ্রসৈনিক ও সাবেক ছাত্র নেতা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সেক্রেটারি মো. একরাম উল্লাহ।

বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন ভয়েস অব সিভিল রাইটস ফোরামের চেয়ারম্যান ডা. মারুফ শাহরিয়ার।

আরএইচটি/জেডএস

Lading . . .