Advertisement

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রথম আলো

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

কালাই ময়েন উদ্দিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ জি নাফসি তালুকদারছবি : সংগৃহীত
কালাই ময়েন উদ্দিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ জি নাফসি তালুকদারছবি : সংগৃহীত

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জেরে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকিদের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুই সাংবাদিক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ওই দুই সাংবাদিক হলেন দৈনিক বাংলার জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি রাব্বীউল হাসান ওরফে রমি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল আই নিউজ বিডির জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি আবু রায়হান। তাঁরা দুজন কালাই ময়েন উদ্দিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ জি নাফসি তালুকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

নাফসি তালুকদার কালাই পৌর শহরের তালুকদারপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। তিনি কালাই পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি, বর্তমানে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

গত মঙ্গলবার নাফসি তালুকদারের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে নবম শ্রেণির ৩৩ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক বেত্রাঘাতের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর জের ধরে নাফসি তালুকদারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

দুই সাংবাদিক জিডিতে উল্লেখ করেছেন, শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাতের সংবাদ প্রকাশের জেরে শিক্ষক নাফসি তালুকদার বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছেন। সাংবাদিক আবু রায়হান বলেন, ‘নিউজ করার জেরে নাফসি তালুকদার আমাকে মেসেঞ্জারে হুমকি দিয়েছেন। আমি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় জিডি করেছি। এরপর আরও ৪-৫ জন সাংবাদিককে হুমকি দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি পুলিশ সুপার (এসপি) ও সেনাবাহিনীকে অবহিত করেছি।’

আরেক সাংবাদিক রাব্বীউল হাসান বলেন, ‘নিউজ প্রকাশের জেরে শিক্ষক নাফসি তালুকদার আমাকে ফোন করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। তিনি একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। গত বছর ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকায় অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত।’
সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নাফসি তালুকদার মুঠোফোনে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় ১৮-২০ বার শোকজ খাইছি। আর এখন তো আমার সুদিন। আমি এমনিতেই বেশি দিন চাকরি করব না। চাকরি গেলে কোনো সমস্যা নেই।’

Lading . . .