প্রকাশ: ১৬ মার্চ, ২০২৬

স্টেজ শো এবং টিভি শোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শাপলা পাল। শুক্রবার রাতে রাজধানীর পুরান ঢাকায় একটি স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করেন। আজ রবিবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে এশিয়ান টিভির নিয়মিত আয়োজন এশিয়ান মিউজিকে সংগীত পরিবেশন করবেন তিনি। বছরের শেষপ্রান্তে এসে আরও কিছু স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি টিভি শোতেও অংশ নেবেন। শাপলা পাল বলেন, ঈশ্বরের অসীম কৃপায় একটু একটু করে গানকে ঘিরে আমার স্বপ্নগুলো পূরণ হচ্ছে।
একটু একটু করে স্টেজ শোতে ব্যস্ত হচ্ছি, টিভি শোতেও নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি নিজের মৌলিক গান নিয়েও কাজ করছি। সব মিলিয়ে একজন সত্যিকারের শিল্পী হয়ে ওঠার জন্য যতটা শ্রম দেওয়া দরকার, গানে যতটা নিয়মিত চর্চায় থাকা দরকার তা করার চেষ্টা করছি। আমার পাশে থেকে আমাকে সব সময় আমার মা অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন, অরিজিৎও ঠিক তাই। আমার আজকের এই সময়টা পর্যন্ত আসতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। জীবনকে নানাভাবে দেখেছি, কষ্ট কাকে বলে তা আমি জানি-বুঝি। তাই কখনো একটুও কল্পনাতে আসে না কাউকে কষ্ট দেওয়ার। ঈশ্বর যেন সবাইকে ভালো রাখেন এই প্রার্থনা আমার সবসময়। ধন্যবাদ স্টেজ শোর আয়োজকদের, টিভি শোর প্রযোজকদের আমার পাশে থাকার জন্য। তার প্রথম মৌলিক গান ‘মনের সীমানা’। প্রথম গানেই দারুণ সাড়া মেলে।
অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে যান আগামীর পথে। এরপর একে একে আরও প্রকাশিত হয় ‘বৃষ্টি পায়ে’, ‘রাং দে মোরা প্রিয়া’, ‘আমার ঘরে শ্রাবণ ঝড়ে’, ‘মন বলে’, ‘ধোঁয়ার শহর’, ‘বিনয় করিগো প্রিয়’সহ বেশকিছু গান। শাপলা তার নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কিছু নতুন মৌলিক গান করছেন। এরই মধ্যে তারেক আনন্দের লেখা ও খায়রুল ওয়াসীর সুরে ‘তুমি এসো শিশির ভেজা পায়ে’ গানের কাজ শেষ করেছেন।
গানের ভুবনে তার পথচলা মা সঞ্জু পালের হাত ধরে। মায়ের কাছেই তার গানে হাতেখড়ি। তবে যেহেতু ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে গায়িকা হবেন, তাই ছোটবেলা থেকেই শুদ্ধ সুরে সংগীত চর্চা শুরু করেন তিনি একে একে ওস্তাদ অরুণ বণিক, রাখাল নন্দী ও সুরবন্ধু অশোক চৌধুরীর কাছে। মাঝে কিছু দিন চগ্রামের অগ্রণী সংঘ স্কুলেও গানে তালিম নিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন


