Advertisement
  • হোম
  • খেলা
  • দাপুটে জয় বাংলাদেশের, পাত্তাই পায়নি ডাচরা

দাপুটে জয় বাংলাদেশের, পাত্তাই পায়নি ডাচরা

নয়াদিগন্ত

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

সংগৃহীত
সংগৃহীত

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেদারল্যান্ডসকে পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ। দুই দলের শক্তিমত্তায় যে বিস্তর ফারাক, তা যেন টাইগাররা দেখিয়ে দিল চোখে আঙুল দিয়েই। সিলেটে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েই তুলে নিয়েছে জয়।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেদারল্যান্ডসকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে ডাচদের ৮ উইকেটে করা ১৩৬ রানের গণ্ডি টাইগাররা পেরিয়ে যায় ১৩.৩ ওভারেই।

এই জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন দাস, অধিনায়কের মতোই পথ দেখিয়েছেন। তবে বড় ভূমিকা রেখেছেন সাইফ হাসান। বল হাতে জোড়া উইকেটের পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেন ১৯ বলে ৩৬* রান।

রান তাড়ায় অবশ্য প্রথম ওভার থেকেই দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। যার শুরুটা করেন পারভেজ ইমনই। প্রথম তিন বলেই হাঁকান দুই বাউন্ডারি আর ছক্কা। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

তৃতীয় ওভারে ফেরেন আরিয়ান দত্তের বলে ৯ বলে ১৫ করে। এরপর হাল ধরেন তিনে নামা লিটন দাস। বাংলাদেশ অধিনায়কও শুরু থেকেই ছিলেন আগ্রাসী। তানজিদ তামিমের সাথে জমে উঠে তার জুটি।

এই জুটি ভাঙে ৯.১ ওভারে, দলীয় ৯২ রানে। তামিম আউট হন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ২৪ বলে ২৯ করে। এরপর লিটন ও সাইফ মিলে আর সুযোগ দেননি ডাচদের। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে নিশ্চিত করেন জয়।

লিটন ৬ চার ও ২ ছক্কায় ২৯ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। যা তার ক্যারিয়ারের ১৩তম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। অন্যদিকে ৪ বছর পর জাতীয় দলে ফেরা সাইফ খেলেন ৩ ছক্কায় ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।

এর আগে ১১ বছর পর বাংলাদেশে খেলতে নেমে সাহসী শুরু করে নেদারল্যান্ডস। সহজ করে বললে ভালো শুরু এনে দেন ম্যাক্স ও’ডাউড। তবে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে এসেই তাকে ফেরান তাসকিন আহমেদ।

ফেরার আগে ১৫ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলেন ম্যাক্স। তিনি ফেরার পর কমে এসেছে রানের গতি। বিক্রমজিৎ ও তেজা নিদামানুরু দেখে শুনে খেলতে থাকেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৩৪ রান।

এরপর ৭.১ ওভারে ফের আঘাত আনেন তাসকিন। এবার তার শিকার বিক্রমজি (১১ বলে ৪)। ৩৮ রানে পতন হয় ২য় উইকেটের।

এদিকে ২০২১ সালের প্রথমবার বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই বাজিমাত করেন সাইফ। বল হাতে নিয়ে প্রথম ওভারেই পেয়েছেন জোড়া উইকেট।

ইনিংসের ১০ম ওভারে বোলিংয়ে এসে চতুর্থ বলেই স্কট এডওয়ার্ডসের উইকেট তুলে নেন সাইফ। উইকেটের পেছনে জাকের আলীর ক্যাচ হয়েছেন ডাচ অধিনায়ক। ফেরেন ৭ বলে ১২ রানে।

ছয় ম্যাচের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে যা সাইফের প্রথম উইকেট। দ্বিতীয় উইকেটিও পেতে দেরি হয়নি সাইফের। পরের বল ওয়াইড দিলেও পঞ্চম বলে ফের তুলে নিয়েছেন উইকেট।

এবার ডিপ মিডউইকেটে তাওহিদ হৃদয়ে ক্যাচ হয়েছেন থিতু হয়ে যাওয়া তেকা নিদামানুরু। ফেরার আগে ২৬ বলে ২৬ রান করেন তিনি। ১০ ওভার শেষে ডাচদের স্কোর দাঁড়ায় ৬৪/৪।

এরপর শাহরিজ আহমেদ হাল ধরার চেষ্টা করলেও থিতু হতে দেননি মোস্তাফিজ। ১৪ বলে ১৫ করে আউট হয়েছেন তিনি। ডাচদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৮৭।

এরপর আবারো দৃশ্যপটে আসেন তাসকিন আহমেদ। নিজের তৃতীয় ওভারে এসে ফিরিয়েছেন কাইল ক্লেইনককে (১২ বলে ৯)। এরপর শেষ ওভারে এসে নোহা ক্রোসকেও ফেরান তিনি।

সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন তাসকিন। তাসকিনের ওভার শেষ হলে কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে ডাচরা। অষ্টম উইকেটে তারা যোগ করে ১৫ বলে ২৭ রান।

শেষ ওভারে ১২ রান দিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। তবে শেষ বলে রানআউটে উইকেট খোয়ানো ডাচরা ৮ উইকেটে ১৩৬ রানের বেশি করতে পারেনি

Lading . . .