এই সময়: একদিকে মোহনবাগানে প্রশ্ন ডিফেন্স নিয়ে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের ডু অর ডাই ম্যাচ। যে ম্যাচে না জিতলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু–তে স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে লাল হলুদের। নতুন সপ্তাহে মোহন–ইস্টের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ অবশ্যই।
৩ নভেম্বর যুবভারতীতে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ আল সিব। যাদের বিরুদ্ধে ওমানে গিয়ে ড্র করে এসেছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও, ইস্টবেঙ্গল যা খেলেছিল, তাতে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফেরা উচিত ছিল আন্তনিও আবাসের টিমের। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে পুরো তিন পয়েন্ট তুলতেই হবে।
বৃহস্পতিবার আইএসএলে মোহনবাগান নামবে ওডিশার বিরুদ্ধে। এই ম্যাচে বাগান সমর্থকদের জন্য ‘দিওয়ালির উপহার’ দিচ্ছেন এমবিএসজির কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। ওডিশা ম্যাচে দুটো করে ফ্রি টিকিট দেওয়া হবে সমর্থকদের। যদিও মাঠে সে ভাবে লোক হচ্ছে না। ফ্রি টিকিটে মাঠ কতটা ভরে, সে দিকে নজর থাকবে।
পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে শনিবার ২–১ জিতেছে পানোসের টিম। জিতলেও ডিফেন্স নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। শুভাশিস বসু অবশ্য বেশ কয়েক ম্যাচ পরে ভালো খেলেছেন। উঠে–নেমে দায়িত্ব নিয়ে পুরোনো ছন্দে দেখা গিয়েছে। মোহনবাগানের গ্রিক কোচ পানোস স্পষ্টই বলে গেলেন, ‘শুভাশিস অসাধারণ খেলছে। যে ভাবে লোড নিয়েছে, আমি খুবই খুশি। ওকে নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই।’
ওডিশা তিন ম্যাচে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। মোহনবাগানের কাছে তিন পয়েন্ট আসার বড় সুযোগ। এমনিতে চেন্নাইয়িন ম্যাচের চেয়ে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ভালো খেলেছে পানোসের টিম। তাই ওডিশা ম্যাচে বড় জয়ের আশায় ক্লাব ভক্তরা।
ইস্টবেঙ্গল আপাতত আইএসএলের ভাবনা সরিয়ে রেখে এসিএলে ডুবে। জিততেই হবে, এই পরিস্থিতিতে ঘরের মাঠে অলআউট যাবেন আবাস। আল সিব বিরাট শক্তিশালী কিছু টিম নয়। ইস্টবেঙ্গল ওমানে গিয়ে তাদের চাপে রেখেছিল। আল সিবের কাছেও অবশ্য এই ম্যাচ ডু অর ডাই। তাদেরও পিঠ দেওয়ালে ঠেকে রয়েছে। জিততেই হবে।
ওমানে সব বিদেশিদের খেলাননি আবাস। তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কলকাতায় বিদেশির সংখ্যা বাড়বে টিমে, এমনই মনে করা হচ্ছে।