সংবিধান সংশোধনে দেরি, AIFF-কে ব্যান করার হুঁশিয়ারি FIFA-র
২৯ অগস্ট থেকে শুরু CAFA নেশন্স কাপ। ISL-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এরই মধ্যে নতুন সমস্যায় ভারতীয় ফুটবল। ফের FIFA-র ব্যানের মুখে পড়তে পারে ভারত। ইতিমধ্যেই FIFA এবং এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (AFC) পক্ষ থেকে যৌথভাবে AIFF-কে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই সংবিধান সংশোধনের জন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছিল AIFF-কে। কিন্তু সেই নির্দেশ না মানায় এ বার ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়সীমা পেরিয়ে গেলে FIFA-র পক্ষ থেকে ব্যান করা হতে পারে ভারতকে।
কেন FIFA-র ব্যানের মুখে পড়তে পারে ভারত?
মঙ্গলবার AIFF-এর প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবেকে পাঠানো চিঠিতে কড়া বার্তা দিয়েছে FIFA ও AFC। তাতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এখনও সম্পূর্ণ হয়নি সংবিধান সংশোধনের কাজ। সুস্পষ্ট কোনও পরিকাঠামোর অভাবে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই সংবিধান সংশোধন করে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের থেকে অনুমতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে FIFA।
শুধু তাই নয়, FIFA ও AFC, উভয়ের আইন ও নিয়মকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে আরও একটি বিষয়। সরকারি সংস্থা-সহ কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই AIFF-কে স্বাধীনভাবে নিজেদের কাজ করতে জানিয়েছে FIFA ও AFC।
At last! #FIFA #AFC says enough is enough. Probably the first time AIFF has received such clear instruction from the world football governing body in advance.
Hope everything will be on the right track from now.
But we all know 🛵 will try his best to derail #IndianFootball pic.twitter.com/NazeNgBOvz
AIFF-এর আগামী সাধারণ সভায় এই বিষয়ের নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। মূলত ভারতের ঘরোয়া ফুটবলের মরশুমের সূচি নিয়ে যে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে, তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন FIFA ও AFC। ডিসেম্বর মাসের পরে অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তিও চূড়ান্ত হয়নি। আর্থিক পরিস্থিতিও ঠিক না থাকায়, ক্লাব ও ফুটবলারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ISL-ও অনিশ্চিত। সব মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবলের উপরে খারাপ প্রভাব পড়ছে। তাই FIFA-র পক্ষ থেকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে AIFF-কে।
২০২২ সালে ১৬ অগস্ট ফিফার ব্যানের মুখে পড়েছিল ভারত। সেবারেও কারণ ছিল তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বা প্রভাব। সেই নির্বাসন তোলার জন্য দ্রুত নির্বাচন করে একটা কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলেই ক্ষমতায় আসেন কল্যাণ চৌবে। তবে তখন বলা হয়েছিল, সংবিধান সংশোধন করে ফের নির্বাচন হবে। এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছিল। তার শুনানি শেষ, দ্রুত রায়দানও করা হতে পারে।
কিন্তু এ বার সাসপেন্ড হলে, রীতিমতো বিপাকে পড়তে পারে ভারত। এমনকী, FIFA ও AFC-র সদস্য পদও খোয়াতে পারে তারা।