Advertisement

কোনো খারাপ মানুষকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন না: মাহমুদুর রহমান মান্না

প্রথম আলো

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

কুমিল্লার চান্দিনা পৌর এলডিপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার বিকেলে চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের মমতাজ আহমেদ ভবন মাঠেছবি: প্রথম আলো
কুমিল্লার চান্দিনা পৌর এলডিপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার বিকেলে চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের মমতাজ আহমেদ ভবন মাঠেছবি: প্রথম আলো

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘আপনারা কোনো খারাপ মানুষকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন না। আমরা এমন সরকার গঠন করতে চাই, যে সরকারে থাকবে সব ভালো মানুষ।’

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লার চান্দিনা পৌর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। চান্দিনার রেদোয়ান আহমেদ কলেজের মমতাজ আহমেদ ভবন মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভালো মানুষ উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমার দেখা একজন ভালো মানুষ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সরকারে থাকাকালে দেশের টাকা বিদেশে পাঠিয়ে দেশের ক্ষতি করেননি। অথচ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার আমলে তার নেতা–কর্মীরা দেড় লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের মতো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে আমরা ভোটের অধিকার জিতেছি। যেকোনোভাবে তাঁদের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। তাই জনগণকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, আপনারা কোনো খারাপ মানুষকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন না।’

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা সরকারে গেলে এ দেশের প্রত্যেক বেকারকে এক হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেব। এক পরিবারে ৪ জন থাকলে ৪ হাজার টাকা বেকার ভাতা পাবে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার যে পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে, সেই পাচারকৃত টাকা দেশের বেকারদের ভাতা দিলেও এত টাকার প্রয়োজন হতো না।’

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তৃতায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য রেদোয়ান আহমেদ বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত ইসলামীর নেতা-কর্মীদের কর্মকাণ্ডের ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষ আজও ভোলেনি। তারাই একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠন, যাদের নেতৃত্বে আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনী অস্ত্র হাতে পাকিস্তানি হানাদারদের সাথে একত্র হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল। এখনো তারা সেই মানসিকতা ধরে রেখে নির্দ্বিধায় এ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে লাঞ্ছিত করছে। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করা আর চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান এক করে ভাবার কোনো সুযোগ নেই।’

চান্দিনা পৌর এলডিপি সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা এলডিপি সভাপতি এ কে এম শামছুল হক, এলডিপি কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মো. আবুল কাশেম, চান্দিনা উপজেলা এলডিপি সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, গণতান্ত্রিক যুবদল সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আহমেদ জাকি প্রমুখ।

Lading . . .