Advertisement

কক্সবাজারে নদী ও পরিবেশের দূষণ করলে হোটেল বন্ধের নির্দেশ নৌপরিবহন উপদেষ্টার

প্রথম আলো

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

কক্সবাজারের হিলটপ সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বিশেষ সমন্বয় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ দুপুরে তোলাছবি: প্রথম আলো
কক্সবাজারের হিলটপ সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বিশেষ সমন্বয় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ দুপুরে তোলাছবি: প্রথম আলো

কক্সবাজারে কোনো হোটেলের বিরুদ্ধে নদী বা পরিবেশদূষণের অভিযোগ উঠলে শুধু জরিমানা না করে, তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের হিলটপ সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ‘বিশেষ সমন্বয় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান।

হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী বাঁকখালী নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভা শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর দখলদারদের সমন্বিত তালিকা ধরে উচ্ছেদ করা হবে।

সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী। এ নদীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ২৪ আগস্ট আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই নির্দেশনার এক সপ্তাহের মধ্যেই কক্সবাজার সফরে আসেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।

মামলার রায়ে বলা হয়, কক্সবাজারে বাঁকখালী নদীর বর্তমান প্রবাহ ও আরএস জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে নদীটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়া নদীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

Lading . . .