Advertisement

দুই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে এলাকাবাসীর পিটুনি, পরে গ্রেপ্তার

প্রথম আলো

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

24obnd

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী দুই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন। পরে ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবার করা মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে আবাসিক ওই মাদ্রাসার অন্য শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে পড়ার পর দুই ছাত্রকে শরীর ম্যাসাজ করার কথা বলে অফিস কক্ষে ডেকে নেন ওই শিক্ষক। পরে ওই দুই ছাত্রকে আলাদাভাবে ধর্ষণ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাদের পরিবারের কাছে জানিয়ে দেয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে অভিভাবকেরা স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে পুলিশে খবর দেন। পরে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শহিদউল্লাহ প্রধানসহ পুলিশ সদস্যরা রাতেই ঘটনাস্থল গিয়ে ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এর আগে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন। ঘটনার পর ওই মাদ্রাসার সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে নিয়ে গেছেন।

এ ঘটনায় এক ছাত্রের বাবা শুক্রবার দুপুরে বুড়িচং থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই শিক্ষককে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। নিজের এলাকার এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। বুড়িচং থানার ওসি আজিজুল হক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

Lading . . .