Advertisement

জাকসুতে বামপন্থীদের আরেক অংশের ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ প্যানেল ঘোষণা

প্রথম আলো

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

24obnd

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে অংশ নিতে বামপন্থী সংগঠনগুলোর আরেক অংশ ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ নামে পাঁচ সদস্যের আংশিক প্যানেল ঘোষণা করেছে। আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্যানেল ঘোষণা করা হয়।

এই প্যানেল ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের একাংশ (জাহিদ-তানজিম) ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা আছেন। তবে এই প্যানেল থেকে ভিপি পদে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম (ইমন) ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক সোহাগী সামিয়া।

প্যানেল ঘোষণা শেষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক সোহাগী সামিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য নামে আরেকটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। এটা যেহেতু আদর্শিক লড়াই, আমরা চেয়েছিলাম সমমনা সব সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়ব। তবে নানা কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। আমাদের প্যানেল থেকে পাঁচটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব এবং বাকিপদগুলোতে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য নামে যে প্যানেল হয়েছে, তাদের আমরা সমর্থন দিয়েছি।’

এ প্যানেল থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগারবিষয়ক সম্পাদক পদে ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের একাংশের সাধারণ সম্পাদক তানজিম আহমেদ, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে তানজিল আহমেদ, সহসমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক (নারী) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাদিয়া ইমরোজ ইলা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (নারী) পদের প্রার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, তাঁরা সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করেছিলেন জাতীয় এবং ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সব বামপন্থী, প্রগতিশীল, মুক্তমনা সংগঠন এবং ব্যক্তিদের সমন্বয়ে মৌলবাদী ফ্যাসিস্ট শক্তি ও যুদ্ধাপরাধী শক্তির বিরুদ্ধে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির একটা বৃহত্তর জোট গঠন করে জাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। কিন্তু অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে দলীয় সংকীর্ণতা, দৃষ্টিভঙ্গিগত সমস্যা, জনতুষ্টিবাদী চিন্তা ইত্যাদি নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি।

সোহাগী সামিয়া আরও বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের থেকে এবং গণতন্ত্র ও প্রগতিমনা শিক্ষকদের দিক থেকেও চেষ্টা করে ঐক্যবদ্ধ প্যানেল দিতে সফল হইনি। তবে ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল শক্তিগুলোকে একই ছাতার নিচে এনে ঐক্যবদ্ধভাবে ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট শক্তিকে মোকাবিলা করায় আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এমতাবস্থায় ঐক্যের স্বার্থে শিবির এবং অন্যান্য মৌলবাদী ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের প্রার্থীদের বাইরে অন্য পদগুলোতে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক মুক্তমনা প্রার্থীদের প্রতি আমরা সমর্থন ঘোষণা করছি।’

Lading . . .