Advertisement

লতিফ সিদ্দিকীসহ আটক সবার ‘সসম্মানে মুক্তি’ দাবি কাদের সিদ্দিকীর

প্রথম আলো

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট, ২০২৫

সংবাদ সম্মেলন ডেকে কথা বলছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বাসভবনেছবি: প্রথম আলো
সংবাদ সম্মেলন ডেকে কথা বলছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের বাসভবনেছবি: প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের অনুষ্ঠান থেকে আটক সবার ‘সসম্মানে মুক্তি’র দাবি জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরে নিজের বাসভবন ‘সোনার বাংলা’য় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

বড় ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আটক হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন কাদের সিদ্দিকী। সেখানে তিনি বলেন, ‘আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মঞ্চ ৭১–এর অনুষ্ঠানে শ্রোতা ও বক্তা ছিলেন তাঁদের কমবেশি উভয় দিকের লোকদেরই পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তাঁদের সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হোক।’ ভবিষ্যৎতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের কাছে তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

মব সৃষ্টি করে মঞ্চ ৭১–এর আলোচনা বানচাল করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক দেশে কারও সভা-সমাবেশ বানচাল করার কোনো সাংবিধানিক অথবা আইনানুগ কোনো সুযোগ নেই।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘২৪–এর আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয়কে আমি স্বাধীনতার কাছাকাছি মনে করি। এ বিজয়ের সফলতা আমি সব সময় কামনা করি। কিন্তু সেই বিজয়ী বীরদের কার্যকলাপে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমি তো ভেবেছিলাম তাদের এ বিজয় হাজার বছর চিরস্থায়ী হবে। এক বছরেই তাদের বিজয় ধ্বংসের দিকে চলে যাবে, এটা আমরা আশা করি নাই।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র সমস্যা সুন্দরভাবে নিরপেক্ষভাবে একটি ভোট অনুষ্ঠান। ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে। এটার মস্তবড় সংস্কার দরকার, নিরাপত্তা আনা দরকার। আর অন্য কিছু অনির্বাচিত কারও দ্বারাই করা সম্ভব না, উচিত না। সেটা মানুষ মেনে নেবে না।

মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রথমে কাদেরিয়া বাহিনীর একটি ঐক্যের চেষ্টা করছি। আমার মনে হয়, আমরা প্রভূত সাফল্য অর্জন করব। সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধারা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা অথবা জাতীয় পার্টির মুক্তিযোদ্ধা, তা না ভেবে তাঁরা সবাই বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা। এই পরিচয় বা চেতনা থাকা দরকার।’

Lading . . .