Advertisement

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল স্থগিত

যুগান্তর

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৫

24obnd

৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটা পর্যন্ত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কদের নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের চলা বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুপুর ২টার দিকে প্রথম দফায় বৈঠক হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে বিরতি দিয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে ফের বৈঠকে বসেন নেতারা।

বৈঠকে আপাতত কাউন্সিল স্থগিত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ৩১ আগস্ট (রোববার) সিলেটে ফের যুগ্ম আহ্বায়কদের নিয়ে বৈঠকের তারিখ নির্ধরণ করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় টিম লিডার ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী। এছাড়া জেলা বিএনপির ১১ জন যুগ্ম আহ্বায়ক উপস্থিত ছিলেন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আহমুদুর রহমান আবদাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রোববার কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকীর নেতৃত্বে জেলার যুগ্ম আহ্বায়করা বৈঠক করবেন। সেখানে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি পুন:গঠন করা হবে।

বিতর্কিত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কমিটিগুলো থেকে বাদ দিয়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, আমরা বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন বাতিল করে পুন:গঠনের দাবি জানিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, ৬ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিলের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এজন্য নির্বাচন কমিশনও গঠন করা হয়। কমিশন তফসিল ঘোষণা করে মনোনয়নপত্র বিতরণও করে; কিন্তু কমিশন গঠনের পর থেকেই জেলার বেশ কয়েকজন যুগ্ম আহ্বায়ক আপত্তি তুলেন। এ কমিশন বিতর্কিত বলে দাবি তুলেন তারা।

একই সঙ্গে বিভিন্ন ইউনিট কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে তাদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেন।

এ অবস্থায় জেলা বিএনপিতে বিভক্তি দেখা দিলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কেন্দ্রীয় নেতারা জেলার ১১ জন যুগ্ম আহ্বায়ককে নিয়ে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসে সমাধানের চেষ্টা করেন। বিষয়টি সমাধানযোগ্য এবং দ্রুতই সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন একাধিক যুগ্ম আহ্বায়ক।

আরও পড়ুন

Lading . . .