Advertisement

প্রাক্তনী-কাঁটায় বিদ্ধ ইস্টবেঙ্গল, মেসির দাপটে হেরেও শিল্ডের সেমিতে লাল-হলুদ

এই সময়

প্রকাশ: ১ অক্টোবর, ২০২৬

মেসির দাপটে হার, তবুও IFA শিল্ডের সেমিতে ইস্টবেঙ্গল,ছবি: ফেসবুক
মেসির দাপটে হার, তবুও IFA শিল্ডের সেমিতে ইস্টবেঙ্গল,ছবি: ফেসবুক

২০২৪-২৫ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি। কলকাতার মাঠে মেসির পায়ের জাদু দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু লাল-হলুদ জার্সিতে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার রাফায়েল মেসি বাউলি। এ বার পাঞ্জাব এফসির হয়ে জ্বলে উঠলেন প্রাক্তন ক্লাবের বিরুদ্ধে। নিজে জালে বল না জড়ালেও গোল করালেন সতীর্থকে দিয়ে। ঘরের মাঠে ০-১ গোলে হেরে গেল ইস্টবেঙ্গল। চলতি IFA শিল্ডে এটাই প্রথম হার লাল-হলুদ ব্রিগেডের।

প্রথম ম্যাচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে কলকাতা লিগের দলে ভরসা রেখেছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে এই ম্যাচে বিদেশিদের প্রথম একাদশে রেখেছিলেন হেড কোচ আন্তোনিও লোপেস হাবাস। তাতেও জয় এল না। তবে হেরেও শিল্ডের সেমি ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল।

ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন মেসি

এই ম্যাচে শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নামেন দুই বিদেশি ক্রিস ইকনোমিডিস ও দিয়েগো জ়িভুলিচ। তবে সবচেয়ে বেশি নজরে ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনী মেসি বাউলি। গত ম্যাচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকও করেছিলেন তিনি। এই ম্যাচেও শুরু থেকেই জ্বলে ওঠেন। বারবার প্রান্ত বদলে, কখনও বাঁক খাওয়ানো শটে গোলের চেষ্টা করেন। পাঞ্জাব লং বলে চেষ্টা করলেও, রক্ষণ গুছিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের পথে হাঁটে ইস্টবেঙ্গল। বিক্ষিপ্ত আক্রমণে নজর কাড়েন ইকনোমিডিস, রোহিত দানুরা। তবে গোল আসছিল না।

পাঞ্জাব এফসির প্লেয়ারদের সেলিব্রেশন (বাঁ দিকে), ইস্টবেঙ্গলের হার (ডান দিকে)

একমাত্র গোল দিয়েগোর

ম্যাচের মোড় ঘোরে ৪১ মিনিটে। পাঞ্জাবের হয়ে আক্রমণে উঠেছিলেন আলফ্রেড। ঠিক ভাবে বল ক্লিয়ার করতে পারেননি লালচুংনুঙ্গা। ফিরতি বল গিয়ে পড়ে মেসি বাউলির পায়ে। বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ক্রস রাখেন মেসি। অরক্ষিত অবস্থায় সেই বল পেয়ে জোরালো শটে গোল করেন দিয়েগো রাপোসো। এই ব্রাজ়িলিয়ান স্ট্রাইকারের গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

পাঞ্জাব এফসির প্লেয়ারদের সেলিব্রেশন (বাঁ দিকে), ইস্টবেঙ্গলের হার (ডান দিকে)

দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া চেষ্টা, তবুও ব্যর্থ হাবাসের ছেলেরা

এক গোলে পিছিয়ে থেকে সেকেন্ড হাফে নামে ইস্টবেঙ্গল। রোহিত দানুর জায়গায় মাঠে নামেন পিভি বিষ্ণু। কিছুক্ষণ পরে নামেন বিপিন সিং, জিকসন সিংরা। খেলায় গতি বাড়ানোর জন্য এই পথে হাঁটে ইস্টবেঙ্গল। তবে তাতেও লাভ হয়নি। বারবার বিক্ষিপ্ত আক্রমণ শানিয়েও গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল।

শেষ দিকে বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করে পাঞ্জাবকে লড়াইয়ে রাখেন গোলকিপার অর্শদীপ সিং। ইনজুরি টাইমে রেনিয়ারকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পাঞ্জাবের নিখিল প্রভু। তবে ১০ জনের পাঞ্জাবকে পেয়েও সমতা ফেরাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ০-১ গোলে হেরে মাঠ ছাড়ে হাবাসের দল।

পাঞ্জাব এফসির প্লেয়ারদের সেলিব্রেশন (বাঁ দিকে), ইস্টবেঙ্গলের হার (ডান দিকে)

হেরেও IFA শিল্ডের সেমিতে ইস্টবেঙ্গল

ম্যাচ হেরে গেলেও শিল্ডের শেষ চারে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। সেমিতে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। আর একটি সেমিতে মোহনবাগান খেলবে পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে।

Lading . . .